Categories
Uncategorized

Bangla Hot Funny Jokes

Bangla Hot Funny Jokes! Hi friends, I have collected some new Bangla Hot Funny Jokes. Bangla Hot Funny Jokes has been published. So check the latest Bangla Hot Funny Jokes and share it with your lovely friends. Read it and enjoy it.so you can hare it with your all lovely friends. Its give smile and happiness to everyone face. Laughter is the way to make smile on everyone’ s face. Laughter is the best medicine for our health. Be happy and keep laughing…
Share kro jisse aap baat krte ho or jisse nhi krte…

Bangla funny jokes in the bengali language is the biggest happiness for the bengalis because there are little more website are available for the bengali jokes. But in our funny jokes page you will find the jokes in all languages, so enjoy your laugh and happiness in bengali language jokes.

Bangla Hot Funny Jokes

Ekebarei taklu hoye jaini

Boss: Ki bepar! apni etokkhon kothai chilen?

Kormi: Chul katate giyechilam.

Boss: Ki apni office time e chul katate giyechilen?

Kormi: Tate ki hoyeche? chultao to office time e boro hoyechilo.

Boss: Seta to bari thaka kalin o boro hoyechilo!

Kormi: Tai bole to ekebarei taklu hoye jai ni, office e jototuku boro hoyechilo tototuku ketechi!!!

She amakeo dekhte esechilo

Nayok Salman khan meye dekhte geche, meyer ma take dekhe behush hoye gelo, Hush ferar por sobai take jiggas korlo-

Sobai: Behush hole keno?

Meyer Ma: 20 bochor age she amakeo dekhte asechilo…

Oita amar launch box

Juta pochondo korte giye dokaner prai sob disign ultepalte dekchen laboni. Ete jutar showroom ekebare tosnos hoye gelo. Kintu pochondo holona ektio. E somoy tar nojor porlo onnorokom ekti boxer upor –

Laboni: Oi boxta ektu dekhan,  please, otar vitor je designta ache, ta dekhabo.

Dokandar: Doya koren apa, oita er dekhte chaiben na.

Laboni: Eta kemon kotha! Customar dekhte chacche.

Dokandar: Apa oita amar launch box.

Khorocher matra chargun hoye geche

OC: Credit card haranor songe songe report korenni ken?

Montu: Card ta churi houar por dekhlam chor amar bouer theke kom khoroch korche.

OC: Ekhon report korte aschen keno?

Montu: Ekhon mone hocce card ti ebar chorer bouer hate poreche, khorocher matra 4 gun hoye geche.

হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না

পল্টু ভোট দিয়ে পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল-
পল্টু: স্যার, আঙুলের এই দাগ কি পানি দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তা হলে স্যার! সাবান দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তাহলে স্যার কতদিন পরে উঠবে?
অফিসার: একবছর পর যাবে।
পল্টু: তাহলে আরও একটু দেবেন স্যার?
অফিসার: কেন?
পল্টু: চুলে লাগাব স্যার। আজকাল হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না।


তোর ভাবির সাথে

একদিন হাবলু হঠাৎ তার ভাবিকে ধরে প্রচুর মারধর করতে লাগল! সবাই অবাক হয়ে হাবলুকে থামালো আর জিজ্ঞেস করল-
প্রতিবেশী : তুমি তোমার ভাবিকে মারছ কেন?
হাবলু : আমার ভাবি ভালো মহিলা না!
প্রতিবেশী : তুমি কীভাবে বুঝলা?
হাবলু : আর বইলেন না! আমি আমার যেই বন্ধুকেই ফোনে কথা বলতে দেখে জিজ্ঞেস করি, কার সাথে কথা বলিস? সেই বন্ধুই উত্তর দেয়, তোর ভাবির সাথে!


ছেলেকে পিটানোর জন্য না

মা: বজ্জাত ছেলে কোথাকার! এতবার বলি, তারপরেও সোফায় শুয়ে থাকিস। আজ জুতিয়ে তোকে সিধা করবো,
বল্টু: মা! মা! আর হবে না এমন এবারের মতো,
মা: আর হবে না কেন? তুই আবার করবি এই কাজ! সোফা হচ্ছে বসার জন্য, এটা তো শোয়ার জন্য না,
বল্টু: মা, স্যান্ডেলও তো পায়ে দেওয়ার জন্য, ছেলেকে পিটানোর জন্য না!


এবার মাফ করেন

এক ফকির পিচ্চি মেয়েকে বলছে-
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটা।
পিচ্চি : আমি বেটা না, বেটি।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটি।
পিচ্চি : আমার নাম স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে স্বর্ণা।
পিচ্চি : আমার পুরা নাম নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
পিচ্চি : হ্যাঁ, এখন ঠিক আছে! এবার মাফ করেন।


অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার

বস: অফিসে যেসব পুরুষ অধিক সময় কাটায়, হামেশা ওভারটাইম করে তারা আসলে খুব পরিশ্রমী। এদের স্ত্রীরা খুব সুখী।
বল্টু: না স্যার! আসল কারণ হইলো- হয় বাড়িতে এরা সারাক্ষণ বউয়ের নির্যাতনের শিকার নয়তো অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার।


তুমি অবশ্যই আমেরিকান

এক পাগল এক চাইনিজকে জিজ্ঞেস করছে-
পাগল : তুমি কি আমেরিকান?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : তুমি আমেরিকান না?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : মিথ্যা বলছ, তুমি অবশ্যই আমেরিকান।
চাইনিজ : হ্যাঁ বাবা। আমি আমেরিকান। খুশি?
পাগল : কিন্তু চেহারা দেখে তো মনে হয় তুমি চাইনিজ।


ওটা লন্ড্রির দোকান

এক লোকের স্ত্রী বেড়াতে এসে এক জায়গায় একটা সাইনবোর্ড দেখল। তাতে লেখা- ‘বিশাল মূল্য ছাড়। সিল্কের শাড়ি ১০ টাকা, জামদানি ৮ টাকা ও সুতি শাড়ি ৫ টাকা’ দেখে সে তার স্বামীকে বলল-
স্ত্রী : দেখো জান, কী বিশাল ডিসকাউন্ট, অবিশ্বাস্য। এখনই আমাকে ৩০০ টাকা দাও। ইচ্ছেমতো শাড়ি কিনে আনি।
স্বামী : এতো উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই। ওটা লন্ড্রির দোকান।


এই গুণটা থাকা কী বাধ্যতামূলক

ক্রিসমাসের আগে এক সান্তাক্লজ হোয়াইট হাউসে ওবামার সাথে দেখা করতে গিয়েছে-
ওবামা : আপনার জীবনের একটি ইচ্ছের কথা বলুন।
সান্তাক্লজ : আমি আগামীবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়াতে চাই।
ওবামা : আপনি কী পাগল হয়েছেন?
সান্তাক্লজ : এই গুণটা থাকা কী বাধ্যতামূলক?


সম্পর্ক তো আমার চেয়ে অনেক বেশি

বল্টু তার বড় ভাইকে বলছে-
বল্টু: প্লিজ, মার কাছে সিনেমার পয়সা চাও।
ভাই : তুই চা না! মা তো শুধু আমার না, তোরও।
বল্টু: তা বটে, তবে তার সঙ্গে তোমার সম্পর্ক তো আমার চেয়ে অনেক বেশি দিনের, ঠিক না?


ক্যামেরার ফিল্ম শেষ হয়ে গেল এইমাত্র

নদীর পাড়ে ছবি তুলছে ফটোগ্রাফার। এক মহিলা ছুটে এলো তার দিকে-
মহিলা : জলদি আমার সঙ্গে চলুন, প্লিজ! আমার বান্ধবী পানিতে ডুবে যাচ্ছে।
ফটোগ্রাফার : ইস! একটু আগে যদি বলতেন! আমার ক্যামেরার ফিল্ম শেষ হয়ে গেল এইমাত্র!


মাঝে-সাঝে মাথাটাও কাজে লাগাও

মাথায় মারাত্মক আঘাত নিয়ে বল্টু গেছে ডাক্তারের কাছে-
বল্টু: ডাক্তার, তাড়াতাড়ি কিছু করো! আহ্, শেষ হয়ে গেলাম!
ডাক্তার: কীভাবে এমন হলো!
বল্টু: আর বলো না। বাড়ির কাজের জন্য পাথর দিয়ে ইট ভাঙছিলাম। সামনে দিয়ে এলাকার স্কুলের মাস্টার যাচ্ছিল। সে বলল, ‘বল্টু, মাঝে-সাঝে মাথাটাও কাজে লাগাও’।
ডাক্তার: তো কী হয়েছে?
বল্টু: তার কথামতো পাথরের বদলে মাথা দিয়ে ইট ভাঙার চেষ্টা করলাম।


আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো

নারী: হ্যালো! এটা কি কাস্টমার কেয়ার?
কর্মকর্তা: হ্যাঁ, ম্যাডাম বলুন। আমরা কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি।
নারী: বলছি আমার ছেলেটা আমার সিমটা খেয়ে ফেলেছে।
কর্মকর্তা: দেখুন, আপনি ওকে ইমিডিয়েট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান, এখানে ফোন করে সময় নষ্ট করছেন কেন?
নারী: না, আমি বলছিলাম আমার সিমটাতে ২০০ টাকার টকটাইম আছে।
কর্মকর্তা: তাতে কি?
নারী: যতক্ষণ না পর্যন্ত সিমটা বের করা হচ্ছে; ততক্ষণ আমার ছেলেটা যদি কথা বলে তাহলে আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো!


সিভিতে উল্লেখ কোমর পানিতে, নোংড়া পানিতে সাঁতার

প্রশ্নকর্তা: আপনি সিভিতে উল্লেখ করেছেন- কোমর পানিতে, নোংড়া পানিতে সাঁতারে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। চাকরি তো করবেন অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে। তার ওপর কোমর পানিতে-নোংড়া পানিতে সাঁতার! এসব কী! সিভিতে কেউ এ কথা লেখে?
বল্টু: স্যার, আমি আসলে বোঝাতে চেয়েছি- ঢাকায় ঝুম বৃষ্টি হলেও অফিসে পৌঁছাতে অসুবিধা হবে না আমার!
প্রশ্নকর্তা: সরি, আপনাকে ভুল বোঝার জন্য! আপনি আজই জয়েন করুন! আপনার মতো লোকই তো খুঁজছিলাম এতদিন!


আজ আমাদের রুটি ছিল না

এক লোক রেস্টুরেন্টের সামনে একটি অদ্ভুত বিজ্ঞাপন দেখে দাঁড়াল। বিজ্ঞাপনে লেখা আছে, ‘আমরা যদি আপনার অর্ডার অনুযায়ী খাবার দিতে ব্যর্থ হই তাহলে আপনাকে ৫০০ টাকা দেয়া হবে।’

লোকটা ভেতরে ঢুকতেই ওয়েটার এল। সে তাকে এক গ্লাস বাঘের দুধ আর দু’টি রুটি দিতে বলল। ওয়েটার অর্ডার লিখে কিচেনে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যানেজার পাঁচটি ১০০ টাকার নোট নিয়ে ফিরে এল।

টাকাগুলো টেবিলে রেখে বলল, ‘এই নিন আপনার টাকা। গত ১০ বছরে এই প্রথম আজ আমাদের রুটি ছিল না।’


শপিং কমপ্লেক্স কখন খুলবেন

ঈদের দিন একেবারে ভোরবেলা শপিং কমপ্লেক্সের দারোয়ানের কাছে ফোন এলো-
অপরপ্রান্ত : ভাই, আপনাদের শপিং কমপ্লেক্স কখন খুলবেন?
দারোয়ান : স্যার আজ তো ঈদের দিন। আজ আর খোলা হবে না। একেবারে ঈদের তিন দিন পর খুলব।
অপরপ্রান্ত : প্লিজ ভাই, আজকে কি একটু খোলা যায় না, মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য? ফোনের ওপাশ থেকে করুণ মিনতি ভেসে এলো।
দারোয়ান : কেন ভাই, আপনার কী এমন জরুরি দরকার? এই ঈদের দিনে আবার কী কিনবেন?
অপরপ্রান্ত : না ভাই, কিছু কিনব না। শপিং কমপ্লেক্স থেকে বের হবো। কাল রাতে বউ-বাচ্চা নিয়ে শপিং করতে এসে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।


গাড়ির ব্রেকটা ঠিক করাবো

আজিজ মিঞার কারখানায় আগুন লেগেছে। তিনি খবর দিলেন দমকলকর্মীদের। চটজলদি হাজির হলো দমকল বাহিনী। কারখানার সামনের ছোট গলিটার দু’পাশের দোকানগুলো ভেঙে, সদর দরজা গুঁড়িয়ে দিয়ে, দেয়াল ভেঙে সোজা অগ্নিকুণ্ডের স্থলে গিয়ে থামল গাড়ি! প্রচণ্ড ঝাঁকি খেয়ে গাড়ির পেছনে রাখা পানির ট্যাংকিটা ছিটকে গিয়ে পড়ল আগুনে। ব্যস, নিভল আগুন।

দমকলকর্মীদের তৎপরতা দেখে ভীষণ খুশি আজিজ। তিনি দমকল বাহিনীর প্রধানের হাতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার তুলে দিলেন। জিজ্ঞেস করলেন-
আজিজ : এই টাকা দিয়ে আপনারা কী করবেন বলুন তো?
বাহিনীর প্রধান : প্রথমেই গাড়ির ব্রেকটা ঠিক করাবো!


শক্তিশালী মশা, খাটে ছারপোকা

হোটেল ম্যানেজার : স্যার, রাতে ভালো ঘুম হয়েছে তো?
বোর্ডার : খুব! আপনার হোটেলের মশা এমন শক্তিশালী যে আমার প্রায় উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তবে ভাগ্যিস খাটে ছারপোকা ছিল। ওরা আমাকে টেনে ধরে না রাখলে সকালে আমাকে হয়তো অন্য কোথাও পেতেন।


ছেলের কামাই-রোজগার বেশ ভালো

আধুনিক বিয়ে-শাদির কথাবার্তা চলছে-
মেয়েপক্ষ: শুনলাম ছেলে নাকি নেশাপানি করে খুব?
ছেলেপক্ষ: তা একটু আধটু… আমার ছেলে স্বভাবে-আচরণে কিন্তু খুবই ভালো। মিথ্যে বলবো না আপনাদের, মানে ও আজকাল একটু বেশিই… রোজ তিন-চার পেগ… তবে রাতের বেলায়…
মেয়েপক্ষ: এই বিয়ে পাক্কা। ছেলে পছন্দ হয়েছে আমাদের। বোঝা যাচ্ছে, ছেলের কামাই-রোজগার বেশ ভালো।


এত চকলেট খেয়ো না

চকলেটের দোকানে খোকার সঙ্গে দেখা হলো এক ভদ্রলোকের-
ভদ্রলোক : খোকা, এত চকলেট খেয়ো না। খেলে তোমার দাঁতে পোকা হবে, পেট খারাপ হবে, অল্প বয়সেই নানা রোগবালাই ধরবে।
খোকা : আপনি বুঝি অনেক দিন বাঁচতে চান?
ভদ্রলোক : অবশ্যই।
খোকা : আমার দাদির বয়স ১০৭ বছর।
ভদ্রলোক : তোমার দাদি নিশ্চয়ই ছোটবেলায় এত বেশি চকলেট খেতেন না।
খোকা : সেটা জানি না। তবে দাদি কখনোই অন্যের ব্যাপারে নাক গলান না।

Jokes bangla, Mojar funny jokes, Ectream funny jokes, nasiruddin hojja jokes, doctor-patient jokes provided by mojarjokes.com


আমাকে পুরস্কার দেয়ার মতো ভাঙতি টাকা

রমার হাতব্যাগটা হারিয়ে গিয়েছিল। ব্যাগটা পেয়ে ফেরত দিতে এলো বিল্লাল-
রমা : আশ্চর্য। আমি যখন ব্যাগটা হারিয়েছি, তখন ভেতরে একটা ৫০০ টাকার নোট ছিল, এখন ভেতরে ১০টা ৫০ টাকার নোট- এটা কেমন করে সম্ভব!
সিফাত : সম্ভব। কারণ, এর আগে যখন আমি একজনের ব্যাগ ফেরত দিতে গিয়েছিলাম, তার কাছে আমাকে পুরস্কার দেয়ার মতো ভাঙতি টাকা ছিল না!


সোনার মূল্য দ্বিগুণ

মালিক তার কর্মচারীটিকে বোকাসোকাই জানত। আর তাই-
মালিক : আমি বাইরে যাচ্ছি, যদি কোনো ক্রেতা আসে তাহলে বলবি, সোনার মূল্য দ্বিগুণ।
কর্মচারী : জি, ঠিক আছে।

কিছুক্ষণ পর মালিক এসে-
মালিক : আমি যেমন বলেছিলাম তেমন করেছিস তো।
কর্মচারী : হ্যাঁ, এক লোক সোনা বিক্রি করতে এসেছিল। সে এক ভরি ৪৪ হাজার টাকা চাইল। আমি বললাম, ৮৮ হাজারের এক টাকাও কম দেয়া সম্ভব না।

*** ১০ ভরি কিনে ফেলেছি


মরার পরে আমাদের নাম রাখা হয়

একটি মুরগির বাচ্চা লাফাতে লাফাতে এসে মাকে জিজ্ঞেস করল-
বাচ্চা : মা, মানুষের জন্ম হলে তাদের বাবা-মায়েরা কত নাম রাখে। কিন্তু আমাদের নাম নেই কেন?
মুরগি : আমাদেরও নাম রাখা হয় বাবা, তবে মরার পর। মরার পরে আমাদের নাম রাখা হয়।
বাচ্চা : কী নাম রাখা হয়?
মুরগি : চিকেন টিক্কা, চিকেন কাবাব, চিকেন পাকোড়া, চিকেন পক্স, চিকেন কোরমা, চিকেন তন্দুরি ইত্যাদি! আর যে মুরগি মানুষে মারার আগে নিজে নিজে মরে যায়, তার নাম দেয় মরা মুরগি।


দু’টো পাথর চিবোতে পারেন না

শাশুড়ি : তোমার দু’টো চোখ আছে কী করতে? চাল থেকে দু’টো পাথর বাছতে পার না? রোজ খেতে বসে একই জিনিস দাঁতে লাগে।
বউ : আপনার বত্রিশটা দাঁত আছে কী করতে? দু’টো পাথর চিবোতে পারেন না?


২ চাকার জন্য পার্কিং

কিসলু একদিন নিজের অটোরিকশায় করে প্রেমিকা মলিকে নিয়ে শপিং মলে ঘুরতে গেছে। পার্কিংয়ে গাড়ি দাঁড় করিয়ে কিসলু অটোর একটা চাকা খুলতে শুরু করল-
মলি : অটোর চাকা খুলছ কেন?
কিসলু : দেখতে পাচ্ছ না এখানে লেখা আছে ২ চাকার জন্য পার্কিং?


ইয়ারকি মারার মুডে থাকে তখন

মেয়ে : আচ্ছা দাদা, ভালোবাসা কখন হয়?
ছেলে : যখন রাহু, কেতু এবং শনির দশা চলে, সঙ্গে মঙ্গলও খারাপ আর ভগবান তোমার সঙ্গে ইয়ারকি মারার মুডে থাকে তখন!


ডিভোর্সের ঘটনা ঘটতো না

আদালতে প্রেমের বিয়ের ডিভোর্সের মামলা চলছে-
১ম আইনজীবী: প্রেমের সময়ে ছেলেরা যতটা আন্তরিক থাকে, বিয়ের পরে যদি তার অর্ধেকও থাকতো। তবে এত ডিভোর্সের ঘটনা ঘটতো না, স্যার।
২য় আইনজীবী: বিয়ের পরে মেয়েরা যে আচরণ করে; বিয়ের আগে যদি তার এক চতুর্থাংশও করতো, তাহলে কিন্তু স্যার, প্রেমের সূত্রে কোনো বিয়েই আর হতো না।


আপনাকে ৪০ টাকাই দিতে হবে

চিঠি পোস্ট করতে পোস্ট অফিসে গেছে নিতু-
কর্মকর্তা : চিঠিটা যদি দ্রুত পৌঁছাতে চান, খরচ পড়বে ৪০ টাকা। আর যদি স্বাভাবিক নিয়মেই পাঠাতে চান, তাহলে খরচ পড়বে ৫ টাকা।
নিতু : সমস্যা নেই, আমার তেমন কোনো তাড়া নেই। প্রাপক তার জীবদ্দশায় চিঠিটা পেলেই হলো।
কর্মকর্তা : তাহলে আপনাকে ৪০ টাকাই দিতে হবে!


ট্রেন দুর্ঘটনা দেখার শখ

রেলওয়েতে চাকরির ইন্টারভিউ হচ্ছে। একটি চটপটে ছেলেকে সবার পছন্দ হল। চেয়ারম্যান একটু যাচাই করে নিতে চাইলেন-
চেয়ারম্যান : ধর, একটা দ্রুতগামী ট্রেন আসছে। হঠাৎ দেখলে লাইন ভাঙা। ট্রেনটা থামানো দরকার। কী করবে তুমি?
প্রার্থী : লাল নিশান ওড়াব।
চেয়ারম্যান : যদি রাত হয়?
প্রার্থী : লাল আলো দেখাব।
চেয়ারম্যান : লাল আলো যদি না থাকে?
প্রার্থী : তা হলে আমার বোনকে ডাকব।
চেয়ারম্যান : বোনকে! তোমার বোন এসে কী করবে?
প্রার্থী : কিছু করবে না। ওর অনেক দিনের শখ একটা ট্রেন দুর্ঘটনা দেখার!


৩২টা ঘুসি মেরে পেয়েছি

পাপ্পু একবার এক দোকানে গেছে রেসলিং এ জয়ী হওয়া ঘড়ি ঠিক করার জন্য-
পাপ্পু : আমি আমার এই ঘড়িটা ঠিক করতে চাই। কত টাকা লাগবে?
দোকানদার : আপনি যা দিয়ে কিনেছেন তার অর্ধেক দিলেই চলবে।
পাপ্পু : আমি ঘড়িটা ৩২টা ঘুসি মেরে পেয়েছি। তো কয়টা দিতে হবে?


মাইয়ার ফেসবুক ফ্রেন্ড

হঠাৎ বাসায় কলিংবেল। গৃহকর্ত্রী গেলেন দরজা খুলতে। খুলেই তিনি অবাক, এক কাজের বুয়া দাঁড়িয়ে আছে।
গৃহকর্ত্রী : কে আপনি?
মহিলা : আপা, আমি আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড। গতকাল আপনি একটা স্ট্যাটাস দিলেন যে, আপনার বাসার কাজের বুয়া চইলা গেছে। সেইটা দেখার পর আমি আমার আগের বাড়ির কাজ ছাইড়া আপনার বাড়ি চইলা আইলাম।
গৃহকর্ত্রী : বাসার ঠিকানা কোথায় পেলে?
মহিলা : আপা, আপনার ছেলে দিছে। ও আবার আমার মাইয়ার ফেসবুক ফ্রেন্ড।


তার অনেকগুলো গার্লফ্রেন্ড

এক ছেলেকে তার মা বলছেন-
মা : খারাপ ছেলেদের সাথে মিশবি না।
ছেলে : ঠিক আছে মা।

এরপর থেকে ছেলেটি আর ছেলেদের সাথে মেশে না। কেননা সে তার মায়ের কথা রাখছে।
কিছুদিন পর তার মা দেখলেন, এখন তার অনেকগুলো গার্লফ্রেন্ড।


আমার বাড়িতে ফিরে এসেছে

এক লোক তার পোষা কবুতরগুলো হাটে তুলেছেন। ক্রেতাকে বলছেন-
বিক্রেতা : এই কবুতরগুলো নেন ভাই, খুবই প্রভুভক্ত।
ক্রেতা : তাই নাকি? তা কেমন করে বুঝলেন খুব প্রভুভক্ত?
বিক্রেতা : আমি যতবারই এগুলো বিক্রি করেছি, ততবারই আমার বাড়িতে আবার ফিরে এসেছে।


আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না

এক গরিব লোকের ঘরে চোর এসে আতিপাতি করে খুঁজে নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পেল না। হতাশ হয়ে চোর যখন চলে যাচ্ছে-
লোক : দরজাটা বন্ধ করে যেও।
চোর : দরজা খোলা থাকলেও সমস্যা নেই। আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না।


একটি কেকের দাম কত

রুবেল এক দোকানে গেছে কেক কিনতে-
রুবেল : ভাই কেকের দাম কত?
দোকানদার : দুটি কেকের দাম ২৫ টাকা।
রুবেল : তাহলে এই একটি কেকের দাম কত?
দোকানদার : ১৩ টাকা।
রুবেল : ঠিক আছে, ১২ টাকায় অন্য কেকটি দিয়ে দেন।


সব সম্পদের মালিক তো তুমিই

এক বড় চাষির একমাত্র মেয়েকে বিয়ে করার জন্য ঘটক এক দিনমজুরকে প্রস্তাব দিলেন।
প্রস্তাব শুনে দিনমজুর বলল-
দিনমজুর : আমাকে কয়েকটা দিন সময় দিন। কিছু টাকাপয়সা রোজগার করে নিই।
ঘটক : টাকাপয়সা রোজগারের চিন্তা তোমাকে করতে হবে না। সব সম্পদের মালিক তো তুমিই হবে। এমনকি বাপ হওয়ার জন্যও তোমার পাঁচ মাসের বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। সবকিছু তৈরিই আছে।


গত রাতে নিশ্বাস নিতে ভুলে গেছিলেন

বাড়ির মালিক মারা গেছেন। চাকর হাউমাউ করে কাঁদছে। প্রতিবেশীরা এসে জিজ্ঞেস করল, ‘কী হয়েছিল তোমার মালিকের?’
চাকর জবাব দিল, ‘ভারি ভুলোমনা মানুষ ছিলেন তিনি। বোধ হয় গত রাতে নিশ্বাস নিতে ভুলে গেছিলেন।’


পাপ ধুয়ে ফেলা

সাধুবাবা তার অনুসারীদের নিয়ে বঙ্গোপসাগরে গেছেন স্নানের জন্য। উদ্দেশ্য পাপ ধুয়ে ফেলা। গোসল শেষ করে সবাই উঠলো কিন্তু সাধুবাবার ওঠার কোন নাম নেই।
তা দেখে একজন বলল, ‘কি সাধুবাবা, আপনি উঠছেন না কেন?’
সাধুবাবা উত্তরে বললেন, ‘বৎস, পাপ ধোয়ার সাথে সাথে গামছাটাও যে চলে যাবে তা ভাবতেই পারিনি।’


টয়লেট পরিষ্কার করি

একদিন ছেলে বসে পড়ছিল তখন বাবা ছেলের পাশে বসল-
বাবা : তুই সারাদিন এমন চুপচাপ থাকিস কেন?
ছেলে : কেন বাবা আমি তো কথা বলি।
বাবা : তোকে অযথা এত বকাঝকা করি অথচ কিছু বলিস না। প্রতিবাদ করিস না।
ছেলে : কেন বাবা, আমি তো প্রতিবাদ করি।
বাবা : কই করিস? আমি যে দেখি না।
ছেলে : কেন বাবা, তুমি বকা দিলে আমি টয়লেটে যাই।
বাবা : টয়লেটে গেলে কি রাগ কমে? টয়লেটে গিয়ে কি করিস?
ছেলে : টয়লেট পরিষ্কার করি।
বাবা : টয়লেট পরিষ্কার করলে কি রাগ কমে?
ছেলে : কেন আমি তোমার দাঁত পরিষ্কার করার ব্রাশ দিয়ে টয়লেট পরিষ্কার করি।


নুন দিলে তো কথাই নেই

কলম মিয়ার মুলার ক্ষেত পোকায় খেয়ে শেষ করে দিচ্ছে। তাই সে গেল কৃষি বিশেষজ্ঞের কাছে।
কলম মিয়া : ডাক্তার সাব, আমার মুলার ক্ষেত তো পোকায় খেয়ে শেষ করে দিল। এখন কী করি?
কৃষি বিশেষজ্ঞ : আপনি এক কাজ করুন। পুরো ক্ষেতে লবণ ছিটিয়ে দিন।
কলম মিয়া : আহা! কী পরামর্শ? নুন ছাড়াই খেয়ে শেষ করি ফেইলছে আর নুন দিলে তো কথাই নেই।


আপনি মা হতে যাচ্ছেন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈনিক সংকট দেখা দিলে কর্তৃপক্ষ নিয়ম করে দেয়, প্রতি পরিবার থেকে একজন তরুণকে যুদ্ধে অংশ নিতে হবে। জর্জ কোনো ভাবেই যুদ্ধে যাবে না।

মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষার জন্য যখন তার ডাক পড়ল, তখন সে তার গার্লফ্রেন্ডের ইউরিন স্যাম্পল নিজের ইউরিন স্যাম্পল বলে আর্মি হাসপাতালে জমা দিয়ে দিল। তার বান্ধবীর ছিল ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস ধরা পড়লে সে আনফিট ঘোষিত হবে এবং তাকে যুদ্ধে যেতে হবে না।

পরদিনই ঐ তরুণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিঠি পেল। কনগ্রাচুলেশন! আপনি অবিলম্বে আমাদের গাইনি বিভাগে যোগাযোগ করুন। কারণ আপনি মা হতে যাচ্ছেন।


পুকুরের কুমিরগুলোর জন্য খাবার এনেছি

এক বৃদ্ধ লোকের একটি বড় ফার্ম হাউজ ছিলো। ফার্ম হাউজের পেছনে একটা বড় মাছের পুকুর ছিলো। সে সেটাকে কেটে গভীর করলো, কিছু পিকনিক টেবিল বসালো এবং কিছু গাছপালা লাগালো যাতে এটাকে একটা পিকনিক স্পট বানানো যায়।

একদিন বিকালে লোকটি পুকুরের অবস্থা দেখার জন্য চললো। তার হাতে ছিলো একটা বালতি। পুকুরের কাছে আসতেই তার নজরে পড়লো কিছু নারীকণ্ঠ। আরেকটু এগোতেই সে দেখলো স্বল্পবসনা কিছু মেয়ে পুকুরের পাশে হাসি-আনন্দ করছে।

বৃদ্ধ ভাবলো, হয়তো তারা পাশের কোন বাড়ি থেকে এসেছে। নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্য সে গলা খাঁকাড়ি দিলো। তার আওয়াজ শুনে মেয়েরা সবাই গলাপানিতে নেমে গেলো। একজন বললো, ‘চাচা, আপনি এখান থেকে না গেলে আমরা উঠবো না।’

বৃদ্ধ বললো, ‘আমি তোমাদের শরীর দেখার জন্য এখানে আসিনি। আমি পুকুরের কুমিরগুলোর জন্য খাবার এনেছি।`


প্যান্টটিও ধুতে হবে

মিলিটারিদের সাহস পরীক্ষা করছে তাদের প্রধান। এক মিলিটারিকে দূরে দাঁড় করিয়ে রেখে মাথায় লেবু রেখে বন্দুক দিয়ে সেই লেবুটিকে গুলি করল।

মিলিটারিটি একদম নড়ল না। লেবুটি ফেঁটে গিয়ে তার শার্টটিকে নষ্ট করে দিল। তাদের প্রধান তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বললেন-
প্রধান : সাবাস, এই টাকা দিয়ে সাবান কিনে শার্টটি ধুয়ে নিও।
মিলিটারি : তাহলে আরোও ৫০ টাকা দিন, প্যান্টটিও ধুতে হবে।


সেভ করা শুরু করলো

জসিমের সেভ করা দরকার। তাই সে তার পাড়ার নাপিতের কাছে গেল। নাপিত কেবল জসিমের গালে ফোম লাগিয়েছে, এমন সময় জসিম বলল, ‘আমার গালটা একটু ভাঙা, তাই মসৃণ সেভ হয় না, দয়াকরে খুব সাবধানে মসৃণ সেভ করে দাও।’

নাপিত তখন একটা কাঠের ছোট গোল বল জসিমের গালের ভিতরে ঢুকিয়ে দিল, তারপর সেভ করা শুরু করলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই জসিম বুঝতে পারল, আসলেই খুব ভালো ও মসৃণ সেভ হচ্ছে। গালের ভিতর বলটি নিয়ে জড়ানো গলায় জসিম বলল, ‘খুব ভালো। কিন্তু এখন যদি আমি বলটি গিলে ফেলি তাহলে কী হবে?’

যে ভয় পেয়েছে সে মরেছে.

(৩০১) অনেক বছর আগের কথা, জাপানে ২ টা বন্ধু ছিল. এক জনের নাম ছিল,“যে” আরেক জনের নাম “সে”. তো একবার “যে” আর “সে” রাতে একসাথে ঘুমাল. হঠাৎ গভীর রাতে রুমে একটা জ্বীন আসল. “যে” ভয় পেয়ে কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে “সে” কে ডাক দিল. আর “সে”জ্বীন দেখে সাথে সাথে মারা গেল….. তারপর থেকেই লোকে বলতে লাগল, যে ভয় পেয়েছে সে মরেছে………

এটাই আমার নামার স্টাইল..!!



(৩০২) একটা ছেলে প্রচণ্ড ভাব নিয়ে বাইক চালিয়ে যাচ্ছে।। হঠাৎ সে দেখলো খুবি সুন্দরী একটা মেয় ছেলেটি আরও ভাব নিয়ে বাইকের স্পীড বাড়িয়ে মেয়েটির সামনে ব্রেক করতে গিয়ে ঠাস করে মাটিতে পড়ে গেল..!! এই অবস্থা দেখে মেয়েটি খিলখিল করে হেঁসে উঠলো !! কিন্তু ছেলেটি একটুও বিচলিত না হয়ে বললঃ . এটাই আমার নামার স্টাইল..!!

কুত্তা আমার টিফিন খেয়ে ফেলেছে!!



(৩০৩) স্কুলের এক টিচার টিফিন টাইমে তারএক স্টুডেন্ট বল্টুর টিফিন খেয়ে ফেলেছে!!!
টিচারঃ আমি যে, তোমার টিফিন খেয়ে ফেলেছি তুমি কিন্তু বাসায় গিয়ে তোমার মা-কে বলব না।
বল্টুঃ জ্বি স্যার, আপনার কথা বলবনা। বলব একটা কুত্তা আমার টিফিন খেয়ে ফেলেছে!!..

কম্বল এখন খাচ্ছে



(৩০৪) নতুন বিয়ে হয়েছে । শীতকাল , রাত্রে ছেলে তাড়াতাড়ি খেয়ে শুতে গেছে । বউ শুতে আসছেনা দেখে মায়ের কাছে ফিরে এসে জিজ্ঞাসা করল- মা কম্বল কই ?
মা বলল,-কেন বাবা,বিছানায় তো আছে । ছেলে চলে গেল । একটু পরেই ছেলে ফিরে এসে জিজ্ঞাসা করল,- মা কম্বল কই ?
মা বলল- কেন, বিছানায় তো ছিল ।
ছেলে আবার কিচুক্ষণ পরে ফিরে এসে জিজ্ঞাসা করল,- মা কম্বল ছাড়া ঘুম আসে না। সব বুঝতে পেরে ছেলের বাপ আর রাগ চাপতে পারল না । বেটা হারামজাদা,শুইতে যা, কম্বল এখন খাচ্ছে ।



৫ টি ফুলের নাম

(৩০৫) স্যার: ৫ টি ফুলের নাম বল।
ছাত্র: বিউটিফুল, ওয়ান্ডারফুল, হাউজফুল, ইউজফুল, সুইমিংফুল।
স্যার: হারামজাদা!
ছাত্র: হারামজাদা না স্যার, হার্মফুল :

সিনেমার শ্যুটিং

(৩০৭) গার্লফ্রেন্ড হলো রান্না করার সিলিন্ডার গ্যাসের মতো! কম ব্যবহার করলে কম খরচ, বেশি ব্যবহার করলে বেশি খরচ! তাই, যেভাবে খুশি ব্যবহার করা যায়না, খুব মেপে ব্যবহার করতে হয়!
আর বউ হলো, সরকারি মাল তিতাস গ্যাসের মতো! মাসে একবার টাকা খরচ করেন, তারপর যতখুশি ব্যবহার করেন, যেভাবে খুশি ব্যবহার করেন! গ্যাস দিয়ে রান্না করেন, গোসলের পানি গরম করেন, কাপড় শূকান, বা মন চাইলে মাছ শূকিয়ে শূটকি বানান, কোন সমস্যা নাই !!!

আমাকেই খাবে!



(৩০৮) মাঃ ডিনার খেতে অনেক গেস্ট আসবে এখন। যাও, তাড়াতাড়ি হাত-মুখ ধুয়ে ভালো কাপড় চোপড় পরে তৈরি হয়ে এসো।
ছেলেঃ গেস্টরা কি আমাকেই খাবে!

কুলি কইরা দেখ কেমন পাতলা !!



(৩০৯) মফিজ গেছে ডাক্তারের কাছে..
মফিজ: ডাক্তার সাব , আমার পাতলা পায়খানা হইছে;
ডাক্তার: কী রকম পাতলা ?
-ভালই পাতলা ;
– ভালই কেমন ??
– খুবই পাতলা ;
-খুব কেমন ??
– চরম পাতলা ;
– চরম কেমন ??
– ইয়ে মানে…….
ডাক্তার বিরক্ত হয়ে: আরে মিয়া বাংলা বোঝেন না , স্পস্ট করে বলেন কেমন পাতলা ?
মফিজ: এই নে , কুলি কইরা দেখ কেমন পাতলা !!

বড়লোক বাপের আধুনিকা মেয়ে…



(৩১০) বাবাঃ আগে তুই আমাকেপাপা বলতি; কিন্তু এখন ড্যাড বলিস কেন?
মেয়েঃ ওহ, ড্যাড! হেয়াই ডেন্ট ইউ আন্ডারস্ট্যান্ড ?! পাপা বললে লিপস্টিক নষ্ট হয়ে যায়!

মোবাইল ফোনের একাল-সেকাল,



bangla funny jokes mp3 free download

(৩১১) ২০০৪ সাল—
বাবাঃ কি! মাত্র তো H.S.C. পরীক্ষা দিলি, এখনই মোবাইল লাগবে? তাও আবার নোকিয়া 1100!!!
২০০৬ সাল—
বাবাঃ কি! মাত্র তো S.S.C. পরীক্ষা দিলি, এখনই মোবাইল লাগবে? তাও আবার চায়না, টাচ-স্ক্রীন !!!
২০১০ সাল—
বাবাঃ কি! মাত্র তো এইট পাশ করলি,এখনই মোবাইল লাগবে? তাও আবার নোকিয়া এক্সপ্রেস মিউজিক !!!
২০১৩ সাল—
বাবাঃ কি! মাত্র তো ফাইভ পাশ করলি, এখনই মোবাইল লাগবে? তাও আবার এন্ড্রয়েড !!!
তো, এইভাবে চলতে থাকলে ২০২৫ সালে কি হতে পারে?
৬ বছরের এক বাচ্চা তার বাবাকে বলছেঃ আব্বা! দেখো গিয়া, পাশের বাড়ির জরিনা আন্টির পোলা হইবো দেইখ্যা হে তার পোলার লাইগা একটা আইফোন ফিফটিন কিন্যা রাখছে !!!
আমার আজকেই একটা স্যামসাং গ্যালাক্সি এস টেন লাগবো !!!
হাঃ হাঃ হাঃ মাইরালা, আমারে মাইরালা . . .

রিএ্যাকশন



(৩১২) রেজাল্টের পর-মেয়েদের রিএ্যাকশন,
মেয়ে১ (কাঁদতে কাঁদতে): মাত্র ৯১পেলাম!
মেয়ে২ (আরো বেশি কাঁদতে কাঁদতে):৫বার রিভিশন দেয়ার পরও ৯০ কি করে পাই?
মেয়ে৩: আমি ৯৩ পেয়ে মায়ের কাছে কীভাবে মুখটা দেখাব?
মেয়ে৪ (বিলাপ করতে করতে) ৯০তে কিচ্ছু হবে না!
ছেলেদের রিএ্যাকশন,
ছেলে১: এইবার পুরা কাঁপায় দিসি দোস্ত,৪৪ পাইছি!
ছেলে২: আমি পাশ করেছি,বাবা শুনলে তো নাচানাচি শুরু করবে!
ছেলে৩: স্যার কপি করতে দিসে তাই বেঁচে গেলাম,নইলেতো ফেল করতাম!
ছেলে৪: পুরা ৩৩ পাইছি মামু,আমার তো বিশ্বাস-e হচ্ছে না যে,আমি পাশ করছি!

টাকা হারানোর পর ছেলে এবং মেয়েদের রিয়েকশন



(৩১৩) মেয়ে … ঊঊউয়াআআ ও আব্বু আ আম্মু ভাইয়া, নানা নানি দাদী চাচা খালস পাশের বাসার আনটি আমার তো সর্বনাশ হয়ে গেল !!
সবাই যখন বলে কি হইছে..
মেয়ে : আমার ব্যাগ থেকে এক টাকার কয়েন টা পাইনা !
মায়ার বান্ধবীরা : হায় হায়..কি হবে এখন…?
আর ছেলে রে…. দোস্ত, বিকেল বেলা আশার সময় কোন হালায় জানি মানি ব্যাগ টা মাইরা দিসে….
দোস্ত : কোনো ব্যাপার না… আমার থেকা নে..পরে পারলে দিস!

বউ সে বাড়িটার ভেতরে ছিলো!



(৩১৪) ১ম বন্ধুঃ জানিস আমি বিয়ে করে ফেলেছি!!
২য় বন্ধুঃ Wow!! ভালো সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! খারাপ সংবাদ!! সে দেখতে একদমই সুন্দর নয়!!
২য় বন্ধুঃ ওহ!! এটাতো তাহলে খারাপ সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! এটা ভালো সংবাদ!! কারন সে অনেক ধনী!!
২য় বন্ধুঃ Wow!! এটা তো খুবই ভালো সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! এটা খারাপ সংবাদ!! কারন সে তার টাকা পয়সার এক কানাকড়িও আমাকে দেয় না!!
২য় বন্ধুঃ ওহ!! তাহলে তো এটা খুব খারাপ সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! এটা ভালো সংবাদ!! কারন সে আমাকে একটা অনেক বড় বাড়ি কিনে দিয়েছে!!
২য় বন্ধুঃ Wow!! তাহলে তো এটা খুবভালো সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! এটা খারাপ সংবাদ!! কারন সে বাড়িটা পুড়ে গেছে!!
২য় বন্ধুঃ আহারে!! তাহলে তো খুবই খারাপ সংবাদ!!
১ম বন্ধুঃ নাহ!! এটাই সবচেয়ে ভালো সংবাদ!! কারন আমার বউ সে বাড়িটার ভেতরে ছিলো!!

ইঞ্জিনিয়ার



(৩১৫) একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, একজন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ গাড়িটা একটা গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে বন্ধ হয়ে গেল এবং আর কিছুতেই চালু হচ্ছিল না।
মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার: আমার ধারণা, গাড়ির কোনো পার্টস ভেঙে গেছে। আমাদের উচিত সেটা বদলে নেওয়া।
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার: আমার ধারণা, গাড়ির গ্যাস ফুরিয়ে গেছে। আমাদের গ্যাস নেওয়া উচিত।
ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার: আমার ধারণা, গাড়ির কোনো পার্টস জ্বলে গেছে। আমাদের উচিত সেটা মেরামত করা।
কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার: হুম…আমার মনে হয়, আমাদের সবার উচিত গাড়ি থেকে বের হওয়া, তারপর আবার নতুন করে গাড়িতে উঠে বসা।

মোবাইলটা কার?



(৩১৬) 4-5 ফ্রেন্ড মিলে বারে বীয়ার পান করতেছে. এমন সময় টেবিলের উপর রাখা মোবাইলটা বেজে উঠল.
ছেলে: হ্যালো
মেয়ে: ওগো শুনছো..আমি এখন মার্কেটে আছি.
ছেলে: ভাল
মেয়ে: আমার 200000 টাকার একটা নেকলেস পছন্দ হয়েছে. ছেলে: তাহলে এটা নিয়ে নাও
মেয়ে: 26000টাকা র একটা স্কার্ট আমার পছন্দ হয়েছে. 2টা নিয়ে নেই?
ছেলে: 2টা না 4টা নাও
মেয়ে: তোমার ক্রেডিট কার্ড আমার কাছে, ঐখান থেকে নিতেছি. ছেলে: ok.no problem
বন্ধু: সালা তুই কি পাগল হয়ে গেলি? এতগুলো টাকা বউকে দিয়ে দিলি
ছেলে: এইসব বাদ দে.আগে বল মোবাইলটা কার? বন্ধুরা পুরাই shockzz !!!

এক দুষ্ট ছেলে থানায় ফোন করেছে।



(৩১৭) – এইটা কি পুলিশ স্টেশন?
– হ্যাঁ।
– আপনি কি পুলিশ?
– হ্যাঁ।
– আপনার থানায় বাথরুম আছে?
– হ্যাঁ।
– আপনার বাথরুমে কমোড আছে?
– হ্যাঁ, আছে।
– তাহলে কমোডের মধ্যে মাথা ঢুকাইয়া বইসা থাকেন। এই বলে ছেলেটি ফোন কেটে দিল।
কিছুক্ষণ পর পুলিশ নাম্বার বের করে কলব্যাক করল। ছেলেটির বাবা ফোন ধরল। পুলিশ অভিযোগ করল, আপনার ছেলে আমাকে কমোডে মাথা ঢুকিয়ে বসে থাকতে বলেছে।
– কতক্ষণ আগে বলেছে?
– এই ধরেন ১০ মিনিট।
– তাহলে এখন মাথা বের করে ফেলেন। ….

পরীক্ষার আগের রাত:



(৩১৮) আমি 1st বন্ধুকে কল দিলাম: “দোস্ত, কদ্দুর পড়লি ?”
বন্ধু : “হুমম, চ্যাপ্টার তো ৮ টা, আমার ৫ টা শেষ”
আমি : (মনে মনে: shit,কেনো পড়লাম না আগে,এই হারামী তো সব শেষ করে ফেললো)
“আচ্ছা দোস্ত, পড় বাকীগুলা, রাখি”
2nd বন্ধুকে কল: “দোস্ত,কদ্দুর পড়লা ?”
২nd বন্ধু: “আমার পরা শেষ, রিভিশন দিব”
আমি: (মনে মনে: ধুর বেটা,মর তুই ) “পড় ভালমতো”
খুবই হতাশ হয়ে 3rd বন্ধুকে কল: “দোস্ত, তোর কি সব শেষ??”
3rd বন্ধু: ” আর এ না, কি বলিস?!! শুরুই করি নাই, পুরা রাততো পড়ে আসে পরার জন্য”
আমি : “দোস্ত, তুই বস, তুই আমার ভাই,আপন ভাই, চল start করি এখন”

হায়রে ফেসবুক! !!!!



(৩১৯) ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ একদিন ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করলেন, কেউ একজন তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে! তৎক্ষণাৎ তিনি ফোন করলেন নিজ অফিসের এক কর্মচারীকে। ‘কত বড় সাহস! আমার আ্যাকাউন্ট হ্যাক করে! এক্ষুনি খুঁজে বের করো ওই হ্যাকারকে। এক ঘণ্টার মধ্যে আমি ওর নাম- ঠিকানা জানতে চাই।’ চিৎকার করে বললেন জুকারবার্গ। ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বলল কর্মচারী, ‘অবশ্যই, স্যার। আমরা এক্ষুনি তাকে খুঁজে বের করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।’
জুকারবার্গ: পুলিশের হাতে তুলে দিতে কে বলল! ওকে বলো, আমার কোম্পানিতে ভালো বেতনে ওর জন্য একটা চাকরি আছে! হায়রে ফেসবুক! !!!!

টিপস পাঠাবে মানি-অর্ডার করে?

৬) শিক্ষক : তোকে তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র আঁকতে বলেছিলাম। তুই তো দিলি সাদা কাগজ। কেন?
ছাত্র : স্যার, আমি তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন্তু আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না!

৬)শিক্ষকঃ পরীক্ষায় কখনো নকল কোর না । নকল করতে করতে অভ্যেস হয়ে যাবে।
ছাত্রঃ না স্যার, আমি চার বছর ধরে সকল পরীক্ষায় নকল করি। কিন্তু এখনো আমার অভ্যাস হয়নি।

৭)শিক্ষক : মরুভুমির একটা প্রানীর নাম বলো।
প্রথম ছাত্র : উট।
শিক্ষক : ঠিক আছে। আরেকজন মরুভুমির আরেকটি প্রানীর নাম বলো।
দ্বিতীয় ছাত্র : আরেকটি উট।

৮) শিক্ষকঃ যারা একেবারে নির্বোধ ও গাধা তারা ছাড়া সবাই বসে পড়।
(সকলে বসে পড়লেও শুধু কিছলু একা দাড়িয়ে আছে )
শিক্ষকঃ কিরে কিছলু ক্লাসে তুই একাই তাহলে নির্বোধ ও গাধা ?
কিছলুঃ না স্যার, আপনি একা দাঁড়িয়ে আছেন, এটা ভাল দেখাচ্ছে না , তাই …

৯) গরুর রচনা লেখার আগে শিক্ষক অনেক গুলো সূত্র ছাত্রদের বুঝিয়ে বললেন। সবাই তা ঠিকমত বুঝেছে কিনা তা আবার পরখ করে নিচ্ছেন —

শিক্ষকঃ আচ্ছা তুমি বলতো তোমার পায়ের জুতা কি দিয়ে তৈরী হয় ?
ছাত্রঃ চামড়া দিয়ে স্যার ।
শিক্ষকঃ চামড়া কোথায় পাওয়া যায় ?
ছাত্রঃ গরুর গা থেকে ।
শিক্ষকঃ আচ্ছা, এখন বলো দেখি, কোন সে জীব, যে তোমাদের পায়ের জুতো যোগায়, আবার নানা খাবার জিনিস ও সরবরাহ করে ?
ছাত্রঃ আমার বাবা, স্যার।

১০)
যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে ­­
শিক্ষকঃ আমি টেবিলটা ছুয়েছি, টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি । এভাবে একটা যুক্তি দেখাও তো ­।
(দুজন ছাত্র হাত তুলল)
১ম ছাত্রঃ যেমন ধরুন স্যার, আপনি মুরগি খেয়েছেন, মুরগি কেঁচো খেয়েছে, সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন।
২য় ছাত্রঃ আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।

জোকস ২০৩

ছাত্র : স্যার একটি কথা বলবো?
স্যার : কি বলবে বলো?
ছাত্র : আমার খুব লজ্জা লাগছে
স্যার : লজ্জার কি আছে বল?
ছাত্র : আস্তে বলব না জোরে বলব স্যার?
স্যার : আরে বেটা যা বলবি জোরে বল সবাই শুনুক
ছাত্র : চিত্কার করে বলে-স্যার আপনার পেন্টের চেইন খোলা |
স্যার : হারামজাদা আস্তে ক

জোকস ২০৪

জাজ : তোমার পেশা কী?
আসামি : তালা এক্সপার্ট।
জাজ : রাত দুটায় সোনার দোকানে কী করছিলে?
আসামি : ওদের ভল্টের তালাটা সার্ভিসিং করছিলাম।

জোকস ২০৫

জেলার : তোমার শেষ ইচ্ছে কী?
আসামি : আমার স্ত্রীর হাতের রান্না খেতে চাই।
জেলার : তাতে মৃত্যুর আগে তৃপ্তি পাবে তুমি?
আসামি : না, তৃপ্তি পাব না। তবে ওর হাতের রান্না খেলেই মরতে ইচ্ছে হবে আমার।

জোকস ২০৬

জেলসুপার : এবারে তুমি কেন এলে?
কয়েদি : একটা বিশ্রী কাশির জন্য ‘চুরি করতে গিয়ে’ আর অমনি লোকটা জেগে উঠেছিল।

জোকস ২০৭

জজ: একদম চুপ! এরপর কেউ টুঁ শব্দটি করলে কোর্ট থেকে বের করে দেওয়া হবে।
সঙ্গে সঙ্গে আসামি বিকট সুরে চেঁচাতে লাগল।

জোকস ২০৮

জাজ : তুমি বলছ তুমি ক্ষুধার্ত ছিলে বলে হোটেল থেকে ক্যাশ ডাকাতি করেছ। কিন্তু হোটেলের খাবার ডাকাতি করাটাই স্বাভাবিক ছিল না?
ডাকাত : খেয়ে পয়সা না দেওয়াটা আমার জন্য অপমানজনক …. মহামান্য আদালত।

জোকস ২০৯

জজ সাহেবঃ যখন এই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিল তখন কি তুমি সেখানে উপস্থিত ছিলে?
সাক্ষীঃ জী হ্যাঁ।
জজ সাহেবঃ তোমার এই ঝগড়া থেকে কি ধারনা হলো?
সাক্ষীঃ হুজুর আমি জীবনেও বিয়ে করব না ।

জোকস ২১০

জজঃ কী ব্যাপার, বারবার কোর্টে আসতে তোমার লজ্জা করে না?
আসামিঃ আমি তো হুজুর বছরে এক-দুইবার আসি। আপনি তো মাশআল্লাহ মাসের তিরিশ দিনই।

জোকস ২১১

জন্মবার্ষিকীতে একজন শতায়ু বৃদ্ধাকে জিজ্ঞেস করা হল তাঁর এই দীর্ঘ্য জীবনের গোপন রহস্য কী?
বৃদ্ধা বললেন, এখনই ঠিক বলা যাচ্ছে না। একটা ভিটামিন পিল কোম্পানি, একটা আয়ুর্বেদ কোম্পানি আর এ‌কটা ফ্রুট জুস ফ্যাক্টরির সাথে দরদাম চলছে।

জোকস ২১২

জেল অফিসারঃ জেলখানার ভেতর যারা আছে তারা সবাই ভীষণ দুর্দান্ত চরিত্রের মানুষ। তুমি কন্ট্রোল করতে পারবেতো ?
চাকরি প্রার্থীঃ পারবনা মানে, বেশি তেড়িবেড়ি করলে ঘাড় ধরে বের করে দেব।

জোকস ২১৩

জ্যোতিষীর কাছে গেছে ব্যাঙ।
জ্যোতিষী: খুব শিগগিরই তোমার একটা সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে দেখা হবে। সে তোমার ব্যাপারে সবকিছু জানবে।
ব্যাঙ: সত্যি! তার সঙ্গে আমার কোথায় দেখা হবে? নিশ্চয়ই কোনো পার্টিতে!
জ্যোতিষী: না। মেয়েটির জীববিজ্ঞান ব্যবহারিক ক্লাসে!

জোকস ২১৪

জাদরেল উকিল -আপনি বিয়ে করেছেন তো
-আজ্ঞে হ্যা করেছি ।
-কাকে বিয়ে করছেন ?
– একজন মেয়েকে
– রাবিস সেটাও বলতে হয় । কখনো শুনেছো কেউ কোন ছেলেকে বিয়ে করেছে ?
– আজ্ঞে হ্যা , আমার বোন করেছে ।

জোকস ২১৫

জঙ্গলে এক চিতা বিড়ি খাচ্ছিলো :
এক ইঁদুর এসে বলে :
ভাই নেশা ছেড়ে দাও , আমার সাথে এসো , দেখ্ জঙ্গল কত সুন্দর !!
চিতা ইদুরের সাথে যেতে লাগলো !!
সামনে হাতি ড্রাগ নিচ্ছিলো !!
ইঁদুর হাতিকে ও একই কথা বললো .
এরপর হাতি ও ওদের সাথে চলতে শুরু করলো .
কিছুদূর এগিয়ে তারা দেখলো :
বাঘ হুইস্কি খাচ্ছে !!
ইঁদুর তাকে ও একই কথা বলার সাথে সাথে বাঘ হুইস্কির গ্লাস রেখে ইদুরকে দিলো কষিয়ে এক থাপ্পড় !!
হাতি তো অবাক !!
বেচারাকে মারলেন কেন ?
বাঘ বললো :এই শালা কালকে ও গাঁজা খাইয়া আমাকে জঙ্গলে ৩ ঘণ্টা ঘুরিয়েছিল

জোকস ২১৬

ট্রাফিক পুলিশ : আমি হাত দেখালাম, তবু তুমি গাড়ি থামালে না কেন?
ড্রাইভার : আমি ভাবলাম, আপনি বুঝি আমাকে টা-টা দিচ্ছেন।

জোকস ২১৭

Bangla jokes SMS

Jail officer:Jail khaner vitore jara ase tara sobay durdanto chalak,tome control korte parbe ta?
Chakuri parthi: parbona mane? Beshi tere bere korle gar dore jail theke ber kore dibo.

Bangla jokes SMS

Nate: Nana, 2mer boyos koto?
Nana: kure bsor.
Nate: bolo ki? Matro 20 bosor?
Nana: er beshi je ami gunte pare na.

Bangla jokes SMS

Gonak: apne komse kom 100 bosor bachben,
Man: jodi na bache?
Gonak: ta hole ase amer 2 gale 2 ta char marben.

Bangla jokes SMS

Chakuridata:ai job ar jonno amer akjon responsible lok lagbe
Chakute parthi:ami say lok jake apne khujsen.
Chakuridata: keno?
Chakuriparthi:ager chakurite kharap kusu gotle e Boss bolto ami er jonno responsible.

Bangla jokes SMS

Sota bon: vi, ma bolsen tume koyta mas doreso bolte?
Boro vi: make gia bol, porer masta dorte parle 1 ta hobe.

Bangla jokes SMS

Roge: Dakter sab,amake kukure kamrayse.
Doctor: apne janen na je amar roge dekhar somoy 4-8 ta.
Roge: ami ta jane,kintu oi hotochora kukur ta ar ota jane na.

Bangla jokes SMS

Same: 2me ki vebeso ami gadha?
Wife: ate vabavabir ta kisu dekse na!

Bangla jokes SMS

Wife: 2mer bondhu jake bia korte jasse sei meea ta akta dajjal, take baron koro.
Hus: keno baron korbo? Se ki amer somoy baron korsilo?

Bangla jokes SMS

Matal: kire tor abba koy?
Boy: ki dorker?
Matal: ai talgasta chayte ailam, ata dia akta hater lathi banabo.
Boy: ai gasta abba mesowak korar jonno rekhe diease.

Bangla jokes SMS

Ist friend: kire! Ai samanna agate akdom kahil! ak soptaho dore akber o gorer bahire jassis na je?
2nd friend: na, mane, je trak ta amake dakka dieasilo seter gaea lekha silo aber dekha hobe. ট্যুরিষ্ট : নদীতে নামতে পারি? কুমিরের ভয় নেই তো?
স্থানীয় লোক : নিশ্চিন্তে নামুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *